আজ বড্ডো বেশী প্রোয়োজন

বৃষ্টিতে ভিজে বটতলায় বসে এক কাপ গরম চা ভাগাভাগি করে খাওয়ার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন ,

মোটরবাইকে এলো চুলে তোমায় জরিয়ে কৃষ্ণচূড়ার লালে হারাবার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন ,

দিনের শূরুতে ঘুম ভেজ্ঞে অবুঝ বালকের মতো ঘুমিয়ে থাকা তোমার মুখে চুমু খাবার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন ,

প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তোমার মুখটি প্রাণভরে দেখে নেবার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন ,

তোমার অতীত যেক্ষণে তোমায় মুক্তি দেয়না; ঠিক সেক্ষনে তোমায় বুকে আগলে রাখার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন,

প্রকিদিনকার হাজারো খুনসুটির মাঝে তোমার অভিমানী মুখটি ছূঁয়ে আদর করে দেবার বড্ডো বেশী প্রোয়োজন , 

আজ এই ক্ষণে জীবন যুদ্ধে ভেজ্ঞে পড়ার আগেই ভালবাসার ছোঁয়া পাওয়াটা বড্ডো বেশী প্রোয়োজন,

একগুচ্ছ কদম তোমার হাতে দিয়ে চোখে চোখ রেখে ‘ভালবাসি’ বলাটা আজ বড্ডো বেশী প্রোয়োজন ।

 একটু ভেবে দেখবেন

অনেক দিন ধরে ভাবছি একটা বেপার নিয়ে একটু লিখব, কিন্তু সময় আর সুযোগ হযে উঠছেনা. আজকে বিষয়টা নিয়ে কথা হচ্ছিল, তাই যতক্ষণ না এই বিষয়টা নিয়ে কিছু লিখতে পারছি পড়াশুনা তেউ মনটা বসছেনা . দেখি আমার মনের পিরাটা লিখার পরে কিছুটা হলেউ কমে কিনা.কিছুদিন আগে এক আদরের চোট ভাই খুবই চিন্তিত হযে বলল আপুনি আমি খুবই বিপদে আছি . আমি খুবই চিন্তিত হযে বললাম কেন কি হলো সব ঠিক আছে ? তারপর সে যা বলল তা শুনে আমি হাসতে হাসতে শেষ. সে বলল আম্মা আমার জন্য বউ দেখতেসে, আমি বললাম তাই নাকি সেতো খুবই ভালো খবর. সে বলল না আমি অনেক চিন্তায় আছি . আমি বললাম কিসের ? সে বলল আমি এমন একটা বউ চাই যে কিনা আমার পরিবার কে আমার চাইতেউ বেশি ভালবাসবে . আমি বললাম সেতো অনেক ভালো চিন্তা, আজকালকার দিনে এমন চিন্তা কটা ছেলে করে. কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন আছে, তুমিকি তোমার বউ এর পরিবারের সবাইকে তার চাইতেউ বেশি ভালবাসবে? একমুহূর্ত চিন্তা না করে সে বলল নাহ. আমি অনেক কষ্টে রাগটা দমিয়ে ভাবলাম বয়স কম, ও কি আর বুঝে জীবন সম্পর্কে. একটু বুঝিয়ে বলে দেখি আমার চিন্তাটা সে বুঝে কিনা. যদিও আমি এখনো জানিনা সে আমার চিন্তাটা সেদিন বুঝে ছিল কিনা.

একটি নতুন বউ আজীবনের জন্য তার পরিবার, ভালবাসার সব প্রিয় মুখ, তার ঘরের দেয়াল থেকে শুরু করে তার পুরো বেড়ে ওঠার চির চেনা পরিবেশ ছেড়ে, শুধু বর এর মুখের দিকে তাকিয়ে বুকের মাঝে অনেক কষ্ট আর শংকা নিয়ে সে সব ছেড়ে আসে. সে সময় প্রতিটা মুহুর্তে তার মনের ভেতর কি কঠিন লড়াই যে ঘটে যায় তা একটি ছেলের পক্ষে কোনদিনই বুঝে ওঠা সম্ভব না. তবুও একটি বউ এত বড় তেগটি করে. কোনদিন ছেলেরা তাকি ভেবে দেখেছে ! যদি বর টিকে বলা হয় তার পরিবার ছেড়ে তাকে চলে আসতে হবে আজীবনের জন্য, তখন তার কেমন লাগবে ? লোকেরা তখন তাকে ঘর জামাই বলবে, তাইতো !

আমাদের ধর্মের কোথাউ এটা লেখা নাই যে একটি বউ কে এই কষ্টটা সহ্য করতে হবে, বরংচ দুজনকেই নতুন করে আলাদা জীবন শুরু করতে বলা হযেছে. আমার কোনো সমস্যা নাই এই রীতিতে. শুধু একজন নারী হিসাবে কষ্ট বুকে পোষণ করা ছাড়া যে, আমাদের নারীদের এত বড় কষ্ট সইতে হয়. আমার কষ্টটা ঐখানে যে একজন স্বামী হিসাবে একজন পুরুষ চেনা নাই জানা নাই একজন মানুষের কাছ থেকে কিকরে আশা করে যে এই নতুন মানুষটি পরিবারকে প্রথম দিন থেকেই ভালবাসবে , এমনকি তার চাইতেউ বেশি. বিশেষ করে সে পুরুষ যে কিনা ভাবতেই পারেন না তার বউ এর পরিবারকে এতটুকু ভালবাসা দেবার ! কেনো বউ এর পরিবারের প্রতিটা মানুষকি মানুষের কাতারে গণ্য হন না? বউ এর মা – বাবা, ভাই-বোন কি মা – বাবা, ভাই – বোন এর কাতারে গণ্য হন না ? বউ এর পরিবারের মানুষদের ভালবাসার কি কোনই দাম নেই ? তারাযে সারাজীবন কূতোটা কষ্ট করে লালন করলেন আপনার বৌটিকে, এইটা জেনে এউ যে সে সারাজীবন তাদের সাথে থাকবেনা. তাদের যে কত স্বপ্ন এই কন্যার নতুন স্বামী টাকে নিয়ে, কত আশা- ভরসা কন্যার এই স্বামীটির উপরে, তাকি সাই স্বামীটি কখনো ভেবে দেখেছে ? আমি জানিনা একজন স্বামী কিকরে আশা রাখে যে তার বউ এর পরিবারকে সে ভালো না বাসলেউ, বউ তার পরিবারকে ভালবাসবে ! বউ এর পরিবারকে সম্মান না দিলেউ বউ তার পরিবারকে সম্মান দিবে? ভালবাসা , সম্মান বাজারে কিনতে পাওয়া যায়না . তা অর্জন করতে হয়. সম্মান আর ভালবাসা একটি আরেকটি ছাড়া চলতে পারেনা. আমি একজন নারী হিসাবে নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি আমিতো একদমই পারবনা সম্মান আর ভালবাসা দিতে, যদিনা আমার স্বামী আমার পরিবারের প্রতিটা সদসকে তোতাটা সম্মান আর ভালবাসা না দেয় . হা বিয়ে হযেছে বলে যত টা পারি দায়িত্ব পালন করে যাব. কিন্তু মন থেকে সম্মান আর ভালোবাসাটা আসবেনা . 

মানুষ হিসেবে কেউ এই একদম সঠিক না, সব পরিবারেই খারাপ ভালো থাকবে, মতের মিল সবার সাথেই হবে . হাতের পাচ আঙ্গুল যেমন এক নয় তেমনি পরিবারের একেকটি সদস্যও এক নয়. তাই বলে তাদেরকে ভুলা যায়না , তাদেরকেউ ভালোবেসে যেতে হয় . আর সত্য কথাটি হলো একজন স্বামী যদি মন দিয়ে শুরু থেকে সম্মান টা তার বউ র প্রতিটা সদস্যকে দিয়ে আসেন , বৌটি ও খুবই তারাতারি তার স্বামীর পরিবারকে নিজের ভাবা শুরু করবে. স্বামীর প্রতি তার ভালোবাসাটাও অধিকতর হবে.    

আমাদের সামাজিক চিন্তা চেতনার জন্য অনেক স্বামী সংকোচে থাকেন বউ এর পরিবারটিকে সঠিক আদরটা দিতে ,পাছে তার পরিবারের সবাই তাকে না বলে যে সে বউ পাগল. এই বেপারটি স্বামী হিসাবে তাকেই ঠিক করতে হবে, নিজের পরিবারটিকে বোঝাতে হবে কেন সে তা করছে. তাদেরকে বোঝাতে হবে স্বামী হিসাবে এটা তার কর্তব্য, ঠিক যেমনটি একজন বউ এর ও তাদের প্রতি . আর তাছাড়া অন্যকে খাটি ভালোবাসাটা দিলে তার অনেকটা ফেরতও আসতে বাধ্য.

আমাদের নবিজি বলেছেন বউ এর মা বাবা কে নিজের মা বাবার মতো দেখতে, সত্য করে বলবেন কি কটা পুরুষ তা করতে পারেন? অথচ নিজের নব বিবাহিত বউ র কাছ থেকে তেমনটি আশা রাখেন! বেপারটা খুবই বড় রকমের দুমুখী বেপার হযে গেল নয়কি ? 

আমার এই লিখাটির উদ্দেশ্য কোনো ভাই কে নিচু করা নয়, হয়তো বলতে পারেন আমি কোন অধিকারে এইসব বলছি. আমি একজন নারী হিসাবে বলছি. যেকিনা পনেরো বছর সংসার করেছি , স্বামীর পরিবারকে প্রথম দিন থেকেই নিজের বলে ভেবেছি, স্বামীর থেকে তাদের আমি খেয়াল অনেক বেশি রেখেছি. যদিও বউ হিসাবে আমি তা না করলেউ পারতাম. এমনকি স্বামীর সাথে তার পরিবারের সবার সম্পর্ক যথেস্ষ্ট খারাপ থাকায় তা নিজ দায়িত্বে ভালও করেছি. যদিও সে আমার পরিবারকে অসম্মান আর কষ্ট ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি.তবুও নিজের দায়িত্ব থেকে একচুল নড়িনি. কারণ যখন থেকে মনে পরে আমি তা দেখে এসেছি, আমি দেখেছি আমার মা চাচীরা ঠিক কিভাবে সব করে গেছেন একটুও উফ না করে. কিন্তু সত্যটি হলো কোনদিন স্বামীর প্রতি সম্মান আমার আসেনি, ভালবাসা তো অনেক দুরের বেপার. শুধু বউ হিসাবে নিজের সব দায়িত্ব করে গেছি.

আমার সময়টা ভিন্ন ছিল, এখনকার সময়টা ভিন্ন. আমার মতো নারী হইতো এখনো আছে, কিন্তু তেমন একটা না. আমি আসলে চাইওনা আমার মতো একটি মে এউ হোক. তাছাড়া কেন সহ্য করবে তারা এইসব ? ওদেরতো মন আছে, আত্মসম্মান আছে, অধিকার আছে. আর ওদের পরিবার ও ওদের কাছে ততটাই মূল্যবান , ঠিক যতটা একজন পুরুষের কাছে তার নিজের পরিবার.

তাই বলছি, ভাইরা একটু ভেবে দেখবেন এই বোনটির কথাগুলো. অনেক ভাই আছে নতুন জীবন শুরু করবে, একটু ভেবে দেখো তোমরা আমার কথাগুলো.পনেরো বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি. বউ এর চোখে সম্মান আর বউ এর মনে যদি আজীবন অনেক উপরে থাকতে চাউ তাহলে, বউ এর ভালবাসার মানুষগুলোকে ভালবাসতে তোমরাও চেষ্ঠা কোরো. . একদিনেই ভালবাসা গড়েউঠবেনা . কিন্তু মন থেকে চেষ্ঠা করো . বিশ্বাস করো, শশুর বাড়ির মানুষগুলো শুধু একটু সম্মান এই চায়, টাকা ,বাড়ি-গাড়ি চায়না. এখনো সময় আছে একটু চিন্তা-চেতনা কে বদলাউ, তানাহলে কোনো বউ এই আর একসাথে শশুর বাড়ির মানুষকে নিয়ে থাকতে রাজি হবেনা. ইতিহাস সব নারীরাই পড়ে এবং চোখের সামনে সবকিছু দেখে বড় হয় , নারীদের কে তাদের চিন্তা – ধারণা আর মন পাল্টাতে বাধ্য কোরোনা …..

 বই মেলা

এক যুগেরো বেশি সময় নিয়ে আমি আছি দূরে নিজের দেশ , চেনা মুখ , সেই চেনা গন্ধ আর দেশের মাটি ছেড়ে । শেষ কবে বই মেলায় গিয়েছিলাম মনে পরেনা `, হবে হয়তো এক যুগেরো বেশি ।আজ ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন তাই হয়তো খুব করে বই মেলায় যেতে মনটা চাইছে । আমার অনেক প্রিয় কিছু বেপেরার একটা হলো বই মেলায় যাওয়া । ছোটবেলায় ফেব্রুয়ারী মাসের জন্য বসে থাকতাম , আর বইমেলা শুরু হতে না হতেই আমার মেঝো চাচা আর বড় ফুফার পেছনে ঘুরতাম কবে নিয়ে যাবে আমায় বই মেলায় । উনারাউ এতোটাই ভালবাসতেন যে একবারের বেশি দুইবার মনে করিয়ে দিতে হতোনা ।

সরাদিন স্কুল এ মনটা যেনো বসতেই চাইতোনা । দিনটা কখন শেষ হবে আর আমি বাসায় যাবো , তারপর যাবো বই মেলায় । নতুন বই র গন্ধ আমায় আজো টানে, কি অদ্ভূত সেই মুহূর্ত গুলো । অন্য সব মেয়েরা হয়তো নতুন জামা জুতো আর পুতুল পেলেই খুশী হয়ে যেতো । আর আমি আমার বাবার পাগলি মেয়ে যে কিনা নতুন একটি বই পেলেই হাতে আকাশের চাঁদ পেয়ে যেতো ।

নতুন সব বুক ষ্টল গুলোতে শত শত বই, ঠিক যেন চকলেটের মতো মনে হতো , ছোট্ট সেই কোমল হৃদয়টাতে খালি মনে হতো যদি পারতাম সব বই কিনে নিতে ! ভাবতেই কি দারুন লাগতো । যখন কাকা অথবা ফুফা জীজ্ঞাসা করতেন কোন বইগুলো আমি নিবো , সে মূহুতর্র্ টা ছিলো আমার সবচাইতে কষ্টের একটা মুহূর্ত । মনে মনে বলতাম কেনোযে ওড়া আমায় বলেনা যে তোর যে কটা বই মন চাই তাই নিয়ে নে । অবস্য এটাও সত্যি যে হয়তো এই কথাটি উনারা জেনেই বলতেন না, আমি যেই বই পাগল পুরো বই র ষ্টলটাই হয়তো নিয়ে যেতে চাইবো আমার সাথে !

 আজ এত্বো দূরে আছি, প্রতিবছর বইমেলা আসে আর আমি নির্বাক চোখে সবার খুশি দেখি, ফেইসবুক এ বন্ধুদের পোস্ট দেখি র একটা বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলি ! মনে মনে ভাবি কেন আছি এইভাবে পরে নিজের মাটি ছেড়ে, ভিনদেশে, অচেনাদের মাঝে ? তাদের যতই আপন মনে করিনা কেনো তবুও নিজের দেশের মানুষের মুখটাই অন্যরকম, অনেকটাই আপন । আমরা যারা দেশের বাইরে থাকি, শুধু তারাই জানি সেই অনুভূতি ।

জানিনা এই জীবনে আদো কোনদিন আবার নতুন বই র গন্ধ পাওয়া হবে কিনা, আদো ছুঁয়ে দেখা হবে কিনা নতুন মোরাটের সেই চকচকে ফেলুদা, মিসির আলী ,হিমু, মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দা আরো শত প্রিয় বইগুলো ।

——– রেজওয়ানা নূপুর

আমার স্বপ্ন

  
আজকে নাকি ভালবাসা দিবস । যদিও আমার কাছে প্রতিদিনের প্রতিটা মূহুতর্ই ভালবাসার দিবস । যে কিনা সত্যিকার ভালবাসতে জানে সে অহরহই ভালবাসে । তার কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন পরেনা । একেকজনের কাছে ভালবাসার সজ্ঞাটা হয়তো একেক রকমের । আর আমার কাছে ভালবাসাটা পৃথিবীর সবচাইতে সহজতর কাজের মাঝে একটি । একটুও আলসেমি আসেনা অবিরাম ভালবেসে যেতে । কিছু পাবোনা জেনেও স্বম্পূর্নটা দিয়ে ভালবেসে যাওয়াতে যে কি পরম শান্তি তা বলে বা লিখে বোঝানো স্বম্ভবনা । হা হয়তো এটাও সত্যি যে চোখের জল হয়তো একটু বেশী আরামে থাকে আমার দুটি চোখে ,তাতে কি আমার ভলবাসার প্রিয় মুখগুলো ভলবাসায় ডুবে থাকে সেই আমার অনেক .
আমি বরাবরই বিশ্বাষ করি যে ভালবাসলেই প্রতিদানে ভালবাসা পেতে হবে এমনটিতো নয়, অন্যদের চোখে হয়তো আমি ভীরু কীংবা দূবর্ল । কিন্ত কেও যখন পূরোটা দিয়ে ভালবাসতে শিখে যায় ,তখন এতোটাই নিঃশ্বাথর্ হয়ে উঠে মন- মস্তিষ্ক যে নিজের ভালোটা আর চোখেই পরেনা । যদি সবাই নিস্বার্থ ভাবে ভালবাসাটা শিখে যেতে পারতো তাহলে এ পৃথিবীতে কষ্টে থাকা মানুষগুলোর কষ্টটাও হয়তো কিছুটা কমে যেতো !

 আমরা যাতে যুগের সথে তাল দিয়ে চলার জন্য না, কে কাকে কত দামী ব্রান্ডের উপহার দিতে পারল ত়া ভেবে না, শুধুমাত্র শুদ্ধ খাটি ভালোবাসাটা কোনো প্রতিদান ছাড়াই দিয়ে যেতে পারি সবাইকে আজকের এই ভালবাসা দিবসে আমার এটুকুই স্বপ্ন রইলো, ভালবাসায় ভরা থাক সবার সকাল সন্ধা ………

 রেজওয়ানা নূপু

বলেছিলে ভালবাসি

বলেছিলে ভালবাসি ;
তাই বলছি, যদি পারো আজকের এই আমাকেই বেসো ।পুরানো সেই আমি আজ আর বেঁচে নেই,                                 তার আর ফিরা হবেনা ।                                                                                       ভাল যদি বাসো আজকের এই আমাকেই বেসো ।      বলেছিলে ভালবাসি ;                                              তাই বলছি, ভালো আর মন্দে মিলিয়ে যেটুকুই আমি      শুধু তাকেই ভালোবেসো ।                                                     পুরানো সেই আমির স্বপ্ন তুমি দেখোনা ।                                পুরানো সেই আমি আজ আর বেঁচে নেই,                               তার আর ফিরা হবেনা ।                                      ভাল যদি বাসো আজকের এই আমাকেই বেসো ।

—— রেজওয়ানা নূপুর

আমারই আমি

আমারই শরীরে আমারই বসবাস ঠিক যেনো         পরগাছার মতো ,                                             বড়ো অযত্ন,অবহেলায় গড়ে ওঠা একটুকরো          সোনালী আগাছার মতো ।                                একদম সুখী শান্তিময় একটা প্রলেপ দক্ষ              চিত্রশিল্পীর মতো.                                         আমারই শরীরে আমারই বসবাস ঠিক                    যেনো পরগাছার মতো.                                     বড়ো অযত্ন,অবহেলায় গড়ে ওঠা একটুকরো           সোনালী আগাছার মতো ।                                  অজস্র শতো কোটী বার ছেড়ে যেতে চায়                আমারি আমি অজানা অচীন পুরে,                      শীকল পরা পাদুটি আটকে পরেছে অন্ধকারের           চরম নিস্তব্ধতায়;                                          আমারই শরীরে আমারই বসবাস ঠিক যেনো            পরগাছার মতো.                                             বড়ো অযত্ন,অবহেলায় গড়ে ওঠা একটুকরো             সোনালী আগাছার মতো ।                                                    নারির টানে বেঁধে রেখেছে আষ্টে পৃষ্টে আমারই          ঔরষযাত একখানা মুখ,                                        যেতে নাহি দেয় মোরে ছেড়ে জগতের                                                     সকল রংচজ্ঞা সুখ ।                                      আমারই শরীরে আমারই বসবাস ঠিক যেনো           পরগাছার মতো ।                                             বড়ো অযত্ন,অবহেলায় গড়ে ওঠা একটুকরো                          সোনালী আগাছার মতো ।

—– রেজওয়ানা নূপুর

8th August , 2015

      

       

Exactly 20 months ago I left my life behind with my 12 year old teenage boy. Didnt know what Allah (stw) has planed for us, how hard & difficult our life will become! There were so many ups and downs , still got up every morning and hoping today is the day all will be ok. It’s been 20 months but still all  is not ok…! 

Life has taught us so many new things, realised closed one’s real faces, never to expect anything from anyone. There are so many different kind of people in this world that I didn’t even met before. Some faces that I grow to love in time, some I learned to hate for my hearts peace.

I truely thought I will never have to act anymore, I can be just myself. But the truth is, I can never be myself, no one will ever understand me, my heart will always be empty..! 

My son is my rock, every time I feel lost, tired, become restless & want to give up I just look at my son and say ‘because of him you have to go on, you have to finish what you have started ”

For the last 20 months so many people had been saying the same thing over and over again, that I have to move on ! But if moving on was that easy life would have been so easy! 15 years is a decade , specially when you have too much bad memories then good ! The person who you were trying to please all this years , he is the one who hurt you the most. Good memories is easy to forget but the bad ones are the ones make your heart black. It’s like I have cancer in my heart, eating away all the goods, leaving behind the poison. I definitely need the chemo therapy to find light in my heart..!